Saturday, December 31, 2011

আলসারের ব্যাক্টেরিয়া ডায়রিয়া প্রতিরোধ করতে পারে

আলসারের কারণে যাদের পাকস্থলি ব্যাক্টেরিয়ার আস্তানা হয়ে আছে তারা ডায়রিয়াজনিত কিছু অসুখমুক্ত থাকতে পারে।

স¤প্রতি ইসরায়েলের তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একথা জানিয়েছেন। 

জলবসন্তের বিস্তাররোধে সূর্যালোক!

সূর্যের আলো জলবসন্ত ছড়িয়ে পড়া রোধে সহায়ক পারে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক।

লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক গবেষণা করে দেখেছেন, যেসব এলাকায় অতিবেগুনী রশ্মির (আলট্রা ভায়োলেট) মাত্রা বেশি সেসব এলাকায় জলবসন্তের প্রকোপ কম। 

Saturday, December 17, 2011

চকোলেটের স্বাস্থ্যগুণ


P‡Kv‡jU †L‡Z cQ›` K‡ib bv wKsev P‡Kv‡jU Dcnvi †c‡q Lywk nb bv, Ggb gvbyl weij| Avevje„×ewbZv mevB P‡Kv‡j‡Ui f³| wPwKrm‡Ki Kv‡Q †M‡j hviv Lvevi †g‡b Pjvi j¤^v wdwiwস্ত wb‡q weim e`‡b †ei n‡q Av‡mb, Zv‡`i Rb¨I GLb Aন্তZ GKwU myLei †`qv hvqÑ cÖvY f‡i P‡Kv‡jU †L‡Z cv‡ib| KviY m¤úÖwZ M‡elKiv e‡j‡Qb P‡Kv‡jU LvIqv ¯^v‡¯’¨i Rb¨ DcKvix|

Tuesday, December 6, 2011

'সচেতনতাই নিউমোনিয়া নির্মূলে সবচেয়ে সহায়ক'


সচেতনতাই নিউমোনিয়া নির্মূলে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। 

বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস ও নিউমোনিয়া রোগের মূল বৈশিষ্ট্য বিষয়ক এক সংলাপে রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ মত দেন তারা। 

'খারাপ' কোলেস্টেরল কমায় গ্রিন টি

ক্যাপসুলের মাধ্যমে হোক অথবা কাপে করেই হোক, গ্রিন টি সেবনে শরীরে খারাপ কোলেস্টোরলের পরিমাণ কিছুটা কমে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। 

নির্দিষ্ট পরিমাণ লবণ গ্রহণ স্বাস্থ্যকর


খুব কম বা খুব বেশি নয় বরং নির্দিষ্ট পরিমাণ লবণ গ্রহণ স্বাস্থ্যকর হতে পারে। 

কানাডার ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিচালিত সা¤প্রতিক এক গবেষণায় একথা বলা হয়েছে। 

কম ওজনের ব্যক্তিদের অস্ত্রোপচারপরবর্তী মৃত্যু ঝুঁকি বেশি



 অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তিদের তুলনায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনের ব্যক্তির ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের এক মাসের মধ্যে মৃত্যু ঝুঁকি ৪০ ভাগ বেশি। 

ভিটামিন ডি’র অভাবে হৃদরোগ, মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে


রক্তে ভিটামিন ডি সঠিক মাত্রায় থাকলে মৃত্যু ঝুঁকি অর্ধেক কমে যায়। আর এর ঘাটতিতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। নতুন এক গবেষণায় একথা বলা হয়েছে। 

নিউমোনিয়া জয় করা সম্ভব

অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী 

ফুলফুসের সংক্রমণ হলো নিউমোনিয়া। এই সংক্রমণের কারণে ফুসফুসে পানি জমে। এর ফলে প্রচণ্ড কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে অতিষ্ট হয়ে ওঠে জীবনধারন। আর অবস্থার অবনতি হলে হুমকির মুখে পড়ে জীবন। 

Saturday, September 10, 2011

মিষ্টি যে কুমড়া




অতি উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ-এর বসতি মিষ্টি কুমড়ায়। প্রায় ২৬৫০ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট ভিটামিন-এ রয়েছে এতে। ভিটামিন-এ চোখের ছানিসহ চোখের যাবতীয় অসুখগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। চোখের

ঘাড়ে ও হাতে ব্যথা

ব্যাথ হলেই নানা দু:শ্চিন্তায় মন ভারাক্রান্ত হয়। কিন্তু মন ভারাক্রান্ত না করে একটু ব্যাথা নিয়ে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নেওয়া ভালো তার উপর ভালো যদি যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে ব্যাথাটাকে সারানো যায়। তাও যদি না যায় তাহলে হালকা ব্যাথার ওষুধ চেখে নেওয়া যেতে পারে। এরপরেও ব্যথা যদি মনে ধরে যায় তাহলে উপায়ন্তর না দেখে অবশ্যই ... তাই জেনে নিন কি করতে হবে....

দীর্ঘস্থায়ী পিঠের ব্যথার জন্য দায়ী জিন আবিষ্কার




যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে পিঠের ব্যথায় ভুগছেন, ওষুধ খেয়েও ব্যথা কমাতে পারছেন না তাঁদের অনেকেই হয়তো এর জন্য দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে কাজ করাকে দায়ী করে থাকেন। আবার চেয়ারে বসে কাজ করাটাকেই নিয়তি ভেবে পিঠের ব্যথাকে (ব্যাক পেইন) সঙ্গে নিয়ে অস্বস্তিকর জীবন কাটান। তাঁদের জন্য একটি সুখবর আছে।

Monday, August 29, 2011

পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়

যারা স্বল্পমাত্রায় মিনারেল খান তাদের তুলনায় যারা উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম সমৃদ্ধ ফল, সবজি ও দুগ্ধজাত খাবার খান তাদের স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় একথা বলা হয়েছে। 


মায়ের রক্ত পরীক্ষায় জানা যাবে শিশু ছেলে না মেয়ে

গর্ভবতী মায়ের রক্ত পরীক্ষা করে গর্ভধারণের প্রাথমিক পর্যায়েই শিশু ছেলে না মেয়ে তা জানা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন। 

রোগ নির্ণয়ে বাড়তি পরীক্ষা অপ্রয়োজনীয়

হাসপাতালে উচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করার চেয়ে রোগীর রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে ভালোভাবে পরীক্ষা করা ও রোগের ইতিহাস জানাই অধিক কার্যকর। ইসরায়েলের নতুন এক গবেষণা হতে এ তথ্য পাওয়া গেছে। 

প্রতিদিন ১৫ মিনিট ব্যায়ামে আয়ু বাড়ে

প্রতিদিন ১৫ মিনিট ব্যায়াম করলে আয়ু ৩ বছর বাড়ানো সম্ভব। তাইওয়ানের এক গবেষণা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বেশির ভাগ মানুষই সাধারণ নিয়ম মেনে দিনে ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে ৫ দিন ব্যায়াম করার চেষ্টা করে। 

নরম বিছানা শিশুর ঘুমের জন্য নিরাপদ নয়

অনেক অভিভাবকই শিশুর শোবার জন্য নরম বালিশ ও কম্বলের ব্যবস্থা করে থাকেন। কিন্তু এতে শিশুর মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ে। স¤প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে এক গবেষণায় এ বিষয়টি উঠে আসে। 

Friday, August 12, 2011

সর্বরোগের মহৌষধ!

নানা ধরনের সর্দি-কাশি, ফ্লু, হাম, জলাতঙ্ক, এমনকি এইচআইভি_এসব রোগ সারবে একটিমাত্র ওষুধে। আশ্চর্য হওয়ার মতো হলেও বিজ্ঞানীরা এমনটিই জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা জানিয়েছেন, তাঁরা এমন একটি ওষুধ উদ্ভাবন করেছেন, যা এ রোগগুলোর প্রতিটির ভাইরাসকে প্রতিহত করতে সক্ষম। তবে ওষুধটির জন্য আরো কয়েক বছর অপেক্ষায় থাকতে হবে।

Tuesday, July 19, 2011

বেশি করে পেঁপে খান

কথায় আছে_'চৎবাবহঃরড়হ রং নবঃঃবৎ ঃযধহ পঁৎব' অর্থাৎ রোগ হওয়ার আগেই রোগ প্রতিরোধ করা উচিত, তাই আমাদের খাবার-দাবার, বাসস্থানের পরিবেশ, জীবনযাত্রা_ সব কিছুই স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া উচিত। আমরা কম-বেশি সবাই এসব স্বাস্থ্যসম্মত বিষয় সম্পর্কে জানি। কিন্তু মানি কতজন? অসুখ হওয়ার আগেই অসুখকে প্রতিহত করা যেমন উচিত তেমনি দৈনন্দিন জীবনে অসুখ-বিসুখকে ভেষজ দিয়ে হাতের কাছে থাকা খাদ্যসামগ্রী দিয়ে, অতি সহজে সমাধান করতে পারি। পেঁপে এমনি একটি ঔষধিগুণসম্পন্ন খাদ্য। যা প্রায় প্রতিদিন আমাদের রান্না ঘরে থাকে, পেঁপে গাছও খুব সহজলভ্য।

Monday, July 11, 2011

শিশুদের জন্য পরামর্শ

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের শরীরচর্চা করাতে বাবা-মায়েদের পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, দিনে অন্তত তিন ঘণ্টা পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের হাঁটাচলা করানো অথবা শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখা উচিত। ভবিষ্যতের কথা ভেবে শিশুদের পেরামবুলেটর অথবা গাড়ির আসনে বসিয়ে রাখার সময় কমিয়ে আনতে হবে।

Thursday, July 7, 2011

জ্বরে রোগী কী খাবে

ফাতেমা সুলতানা
জ্বরে কোন রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। অর্থাৎ প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে জ্বরকে অভিহিত করা হয়। শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক তাপমাত্রার (৯৮হ্ন ৪হ্ন ফা বা ৩৭হ্ন সে) চেয়ে বেশি তাপ হলে তাকে জ্বর বা ফিভার বলে। অনেক সময় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকেও জ্বর হতে পারে।
জ্বর অল্প ও দীর্ঘ সময়ের জন্য হতে পারে। অল্প সময়ের জ্বর সর্দি, টনসিল, ফ্লু, ব্যথা, প্রদাহ, হাম, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড অথবা হাড় ভেঙে গেলেও হতে পারে। সেক্ষেত্রে জ্বর কতক্ষণ থাকছে বা কয়বার ওঠানামা করছে বা জ্বরের অন্য কোন উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কি না, তা লক্ষ্য রাখতে হবে।

অ্যালার্জি প্রতিরোধের প্রাকৃতিক উপায়


এ্যালার্জি শব্দটা যদিও আজ আর কারও কাছে নতুন কিছু নয়, তবুও এটা সম্পর্কে সার্বিক ধারণা থাকা সবার জন্য অতীব জরুরী। কেননা শ্বাসকষ্ট, একজিমাসহ বহু চর্মরোগের জন্য দায়ী এই এ্যালার্জি।

ধুলাবালি, ফুলের রেণু, নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও ওষুধ মানুষের শরীরে প্রদাহজনিত যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে সাধারণভাবে তাকেই আমরা এ্যালার্জি বলে জানি। এ্যালার্জি শব্দটা অষষড়ং ও ঊৎমড়ং নামক দুটি গ্রিক শব্দের সমন্বয়ে তৈরি, সম্মিলিতভাবে যার অর্থ দাঁড়ায় পরিবর্তিত প্রতিক্রিয়া।

যা অ্যালার্জি তৈরি করে
মাইট (এমন কিছু যা পুরনো কাপড়ে জন্মায়), সিগারেটের ধোঁয়া হ কুকুর, বিড়ালের পশম, প্রস্রাব ও লালা হভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, ফুলের রেণু। এছাড়া বিশেষ কোন খাবার, ঘরের ধুলাবালি, হরমোন ইনজেকশন, তুলা বা পাটের আঁশ, চুলের কলপ, রং, পোকা মাকড়ের হুল, স্যাঁতসেঁতে কার্পেট ইত্যাদি। তবে মনে রাখবেন এ সবে সকলেরই যে এ্যালার্জি হবে তা কিন্তু নয়। কিছু কিছু জিনিসে কারও কারও অ্যালার্জি হতে পারে।

হাঁপানি

ডা. তাবাসসুম রুমায়লা
হাঁপানি হয় অ্যালার্জি থেকে। এটি শ্বাসনালির একটি সমস্যা। আমাদের শ্বাসনালি যখন কোনো কিছুকে সহ্য করতে পারে না; কিন্তু শ্বাসনালিতে সেই জিনিসের সংস্পর্শ ক্রমাগতই ঘটছে, তখন  শ্বাসনালিতে প্রদাহ দেখা দেয়, ফুলে যায়, ফলশ্রুতিতে দেখা দেয় হাঁপানি। হাঁপানির কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ নেই; কিন্তু যাদের     হাঁপানির প্রবণতা আছে তাদের ধুলোবালি, ধোঁয়ার সংস্পর্শে এলে হাঁচি, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে। শিশুদের জন্য হাঁপানি একটি বড় সমস্যা। এদের ক্ষেত্রে বিশেষ যতœ নিতে হবে। 

প্রশান্তিদায়ক পাঁচ পানীয়

ক্লান্তিকর দিন, ব্যস্ততা? ভারী কোনো খাবার খাওয়ার সময় নেই? এজন্য আছে এমন সব পানীয় যা আপনাকে করে তুলতে পারে প্রশান্ত, দূর করতে পারে কর্মক্লান্তি। নিচের পানীয়গুলো পান করে দেখুন তো: এক গ্লাস দুধ : এতে আছে ট্রাইপটোফ্যান যা বিপাক ক্রিয়ায় খাদ্য শোষণ করে আপনার মেজাজ ভালো করায় সাহায্যকারী সেরোটোনিন উৎপাদনে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে দুধের মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।   

অ্যাসিডিটি কমানোর পদ্ধতি

■ এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানির মধ্যে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো আর অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে নিয়মিত খান। এতে অ্যাসিডিটি দূর হয়ে যাবে।

■ প্রতিদিন সালাদের মধ্যে মুলা খান। মুলার ওপর বিট নুন বা গোলমরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে খান।

■ জায়ফলের সঙ্গে সৌঠচূর্ণ মিশিয়ে খান। এতে অ্যাসিডিটি দূর হয়ে যাবে।

Tuesday, June 21, 2011

বার্ধক্য ও বিষণ্নতা


দেহের অসুখ হলে আমরা যাই চিকিৎসকের কাছে। কিন্তু মনের অসুখ হলে আমরা সেটা চেপে রাখার চেষ্টা করি, যা ঠিক নয়। অত্যধিক বিষণ্নতা মনের একটি দুর্বল ও কষ্টকর মুহূর্তের অনুভূতি, যার জন্য উচিত মানসিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া।
বিষণ্নতা সাধারণ কতগুলো আবেগের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। তবে বিষণ্ন আবেগ যদি এতটাই হয় যে এটি সাধারণ কাজকর্ম বা অন্যান্য ক্রিয়াকর্মের বাধা সৃষ্টি করে বা এর কারণে ব্যক্তিজীবন ব্যাহত হয়, তখন এই বিষণ্ন আবেগকে আমরা বিষণ্নতা বলে থাকি। বিষণ্ন আবেগের প্রকাশ ১৫ দিন থাকলে এবং ওই ব্যক্তির কাজে ব্যাঘাত ঘটলে এই বিষণ্নতা রোগের চিকিৎসা নেওয়া দরকার।

নারীদের হার্ট অ্যাটাক সংকেত জানা উচিত সবার

বেশির ভাগ নারী পুরুষদের হার্ট অ্যাটাকসংকেত জেনে-বুঝেই অভ্যস্ত। নিজেদের এমন বিপর্যয় হলে যে তা বেশ ভিন্ন হতে পারে পুরুষদের তুলনায়, তা অনেকেই জানেন না মনে হয়। বুক চেপে প্রচণ্ড ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বমিভাব—এই তো জানা। 
দেখা যায়, নারীদের হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ হতে পারে একেবারে আলাদা। আর তাই সতর্ক সংকেতগুলো জানা সব নারীর উচিত, এমনকি পুরুষদেরও। একজন নারীর কথা বলি। নাম উহ্য থাক। তার বাঁ দিকের স্তন ও বাঁ দিকের বাহুতে প্রবল ব্যথা হওয়ায় হতবুদ্ধি হলেন তিনি। ৩৬ বছর বয়সী ওই নারীর তিন ছেলেমেয়ে তখন বুঝতেই পারেননি যে এ হচ্ছে একটি হার্ট অ্যাটাকের আগাম সংকেত। ‘আমার হার্টে সমস্যা হতে পারে, তা আমি অবশ্যই ভাবছিলাম না, কারণ আমি ছিলাম তরুণী এবং ক্ষীণাঙ্গী। আমার হার্ট অ্যাটাক হবে কেন?’

Tuesday, June 14, 2011

অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ

অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এর প্রভাবে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। তবে মস্তিষ্ক, হার্ট ও কিডনি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রণে থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকি সাতগুণ বেড়ে যায়, হার্ট ফেইলুরের ঝুঁকি ছয়গুণ এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি তিনগুণ বাড়ে। আমাদের দেশে ১৮ বছর বয়সের ঊর্ধ্বে শতকরা ১৫ থেকে ২০ ভাগ লোক উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে। যদি কোনো লোকের ৫০ বছর বয়সেও স্বাভাবিক রক্তচাপ থাকে এবং সে যদি ৮০ বছর বাঁচে; তবে তার উচ্চ রক্তচাপে ভোগার সম্ভাবনা শতকরা ৯০ ভাগ। সাধারণত আমরা বলে থাকি, ১১৫/৭৫ সস.ঐম রক্তচাপ থাকা ভালো। তার ওপরে যদি রক্তচাপ থাকে তবে তাতে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগীদের এই ঝুঁকি আরও বেশি। রক্তচাপ যদি ১৪০/৯০ সস.ঐম-এর ওপর থাকে তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ হিসেবে ধরা হয়। রক্তচাপের ঠিকমত চিকিত্সা না করলে সেটা অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপের পর্যায়ে পড়ে। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপের ঠিকমত চিকিত্সা করা উচিত।

ই-কোলাই : নতুন ব্যাকটেরিয়া নিয়ে চিন্তিত ইউরোপ

সম্প্রতি যে রোগ নিয়ে ইউরোপে হৈ চৈ পড়ে গেছে তার নাম ই-কোলাই। গত সপ্তাহ পর্যন্ত শুধু জার্মানিতে প্রায় ১৭ জন মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়ছে। প্রথমে বলা হয়েছিল স্পেন থেকে আমদানি করা শসা থেকে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়েছে। পরে জানা গেছে শসা এর মূল উত্স নয়। ভয়ে তাই স্পেন থেকে আসা কাঁচা শাক-সবজি কেনা বন্ধ রেখেছে মানুষ। কী এই ই-কোলাই? কীভাবে এর প্রতিকার করা যায়?

ভালো ঘুমের জন্য টিপস



সবাই চায় সারাদিনের ক্লান্তি শেষে রাতে ভালো ঘুম হোক। আর অনেকে ঘুমের জন্য কত না যুদ্ধ করেন। শেষ পর্যন্ত অনেককে ঘুমের ওষুধ পর্যন্ত সেবন করতে হয়। তবে ভালো ঘুমের জন্য যা জানা দরকার—
— নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, যাতে শরীরে অবসাদ না পেয়ে বসে।
— সন্ধ্যা ৭টার পর কফি বা ক্যাফেইনসমৃদ্ধ খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকুন।
— ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে থেকে কোনো চিন্তার কাজ করবেন না। টোটাল রিলাক্সড মুডে থাকতে হবে।
— ঘুমানোর ঘরটি হতে হবে একেবারেই কোলাহলমুক্ত।
— ঘুমানোর সময় সব ধরনের বাতি নিভিয়ে দিন।
— যদি ঘুম আসতে বিলম্ব হয় তবে খানিকটা লম্বা শ্বাস নিন।

Thursday, June 9, 2011

হূৎপিণ্ড নিজেই নিজের মেরামত করবে.....

এটা এমন এক ওষুধ, যা ব্যবহারে ক্ষতিগ্রস্ত হূৎপিণ্ড নিজের প্রয়োজনীয় মেরামত নিজেই করে নেবে। গবেষণায় ইঁদুরের শরীরে এই ওষুধ প্রয়োগ করে সুফল পাওয়া গেছে। যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক পরীক্ষাগারে ‘থাইমোসিন বিটা ফোর’ নামের ওষুধটি নিয়ে এ পরীক্ষা চালান। নেচার সাময়িকীতে এই গবেষণাবিষয়ক একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়।
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষকেরা এই গবেষণা চালান। তাঁদের ভাষ্য, ‘থাইমোসিন বিটা ফোর’ ওষুধটি যদি হূদেরাগে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে আগাম ব্যবহার করা যায়, তাহলে এটি হূৎপিণ্ডের ক্ষতি সারিয়ে তোলার জন্য তৈরি থাকবে। ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন এটিকে হূৎপিণ্ডের গবেষণায় একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য বলে অভিহিত করেছে। তবে মানুষের চিকিৎসায় এই ওষুধ প্রয়োগের মতো

Wednesday, June 8, 2011

মাথা ঘোরা

মাথা ঘোরানো মানুষের এক বিশেষ ধরনের অনুভূতি। কেউ কেউ নিজেই ঘুরছেন বলে অনুভব করেন। আবার অনেকে তাঁর চারপাশে ঘুরছে বলে অনুভব করেন। কারণ হিসেবে অন্তকর্ণের অসুবিধা অথবা ৮ নং (ভেস্টিবুলা ককলিয়ার) নার্ভের অসুবিধার জন্য হতে পারে। উচ্চরক্তচাপের জন্য মাথা ঘুরতে পারে। এসব রোগীর অনেক সময় কানের মধ্যে অস্বাভাবিকভাবে টিন টিন বা শোঁ শোঁ শব্দ হতে পারে। কখনো কখনো কানে কম শুনে থাকেন। এ ছাড়া ব্রেনের পেছনে রক্ত সরবরাহের ত্রুটি ও ঘাড়ের রক্তনালিতে ব্লকের কারণে মাথা ঘোরাতে পারে। কোনো কোনো রোগীর রক্তে লবণের তারতম্যের (ইলেকট্রলাইট ইমব্যালেন্স) জন্য এমনটা হতে পারে। 

অমনোযোগী ও ডানপিটে শিশু

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
চট্টগ্রাম মেডিকেলকলেজ হাসপাতাল

সংক্ষিপ্ত নাম এডিএইচডি। অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার। স্কুল বয়সের ৮-১০ শতাংশ শিশুরা এতে ভোগে। তাই শিশুদের পরিচিত আচরণজনিত সমস্যা হিসেবে এটা স্বীকৃত। মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের মধ্যে এর প্রকোপ তিন গুণ বেশি। এসব শিশু কোথাও স্থির হয়ে বসে থাকতে পারে না। মনোযোগ দিয়ে কিছু করে না। সুসংবাদ এই, যথাযথ চিকিৎসায় এডিএইচডির বাচ্চা ভালোভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে ও উপসর্গাদির লাঘব হয়।

Sunday, June 5, 2011

জিহ্বা দেখে রোগ চিনুন

মানুষের দেহে বিভিন্ন ধরনের অঙ্গপ্রতঙ্গ রয়েছে। এগুলো বিভিন্নভাবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সাহায্য করে থাকে। মানুষের দেহে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ জিহ্বা। সাধারণত আমরা মনে করি, কথা বলতে অর্থাত্ মনের ভাব প্রকাশ করতে আর মজার মজার খাবারের স্বাদ নিতে জিহ্বা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, জিহ্বা শুধু খাবারের স্বাদ বা কথা বলতেই সাহায্য করে না বরং জিহ্বা আমাদের দেহের বিভিন্ন রোগ ও অভ্যন্তরীণ জটিলতা নিরুপণ করতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে। সাধারণত একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের জিহ্বার রঙ থাকে হালকা লাল বা অনেকটা কাঁচা

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি

মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটাই বলা চলে। মেথির স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি খেলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে, বিশেষত কৃমি মরে, রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়।

শিশুর দাঁতের যত্ন



শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

এক. কখন থেকে যত্ন নেওয়ার শুরু
দাঁত না ওঠার অর্থ এই নয় যে এগুলো ওখানে নেই। গর্ভকালীন দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক সময়ে দাঁত গঠিত হতে শুরু করে। জন্মের সময়ে শিশুর মাড়িতে ২০ প্রাইমারি দন্ত থাকে তার অনেকগুলো চোয়ালে পরিপূর্ণভাবে গজিয়ে যায়। সুতরাং প্রথম দন্ত কৌমুদী প্রস্ফুটনের আগে শিশুর দাঁতের পরিচর্যা করা উত্তম।
শিশুকে খাওয়ানোর পরে পরিচ্ছন্ন জলে পাতলা কাপড় ভিজিয়ে দাঁতের মাড়ি পরিষ্কার করা যায়। এতে ব্যাকটেরিয়া ওখানে জমাট বাঁধতে পারে না। আর যখনই কয়েকটা দাঁত মুকুলিত হবে তখনই দিনশেষে নরম টুথব্রাশ কিংবা গজ পিস দিয়ে তা পরিষ্কার রাখা যায়।

অতিরিক্ত গরম ও স্বাস্থ্যসমস্যা


 ডিন, মেডিসিন অনুষদ, অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

চলছে গ্রীষ্মকাল। বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠের প্রচণ্ড গরমে চারদিক অস্থির। সেই সঙ্গে রয়েছে আর্দ্রতা। এ কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত। গরমে বাড়ছে স্বাস্থ্যসমস্যা, রোগ, জ্বরা। ঘামাচি কিংবা পানিস্বল্পতার মতো সমস্যা প্রায় প্রত্যেকেরই হচ্ছে। আবার কেউ কেউ হিটস্ট্রোকের মতো গুরুতর সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এর সঙ্গেও হতে পারে অবসাদ, অ্যালার্জি, সূর্যরশ্মিতে চর্ম পুড়ে যাওয়া, হজমের অভাবে বমি বা ডায়রিয়াজনিত রোগ ইত্যাদি। 

Sunday, May 29, 2011

হেপাটাইটিস বি নিয়ে ভাবনা


কীভাবে বুঝবেনকী করবেন

যে কোনো ভাইরাস জ্বরের মতো এখানেও জন্ডিস হওয়ার দুই সপ্তাহ আগে মাথাব্যথাশরীর ব্যথাদুর্বলতাবমি ভাব,ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়। বমি ও পেটে ব্যথাও হতে পারে। প্রস্রাব হলুদ হয়। তারপর চোখে এবং বেশি জন্ডিস হলে চামড়াও হলুদ হয়ে যায়। এসব লক্ষণ খুবই সামান্য থেকে ভয়াবহ হতে পারে এবং দুই থেকে তিন সপ্তাহ স্থায়ী হয়ে সাধারণত ভালো হয়ে যায়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উপসর্গগুলো খুবই সামান্য হয় এবং অনেক সময় রোগী তা টেরও পান না।

হৃদরোগ এবং খাবার




ডা. মোহাম্মাদ শফিকুর রহমান পাটওয়ারী
হার্টের রক্তনালীর রোগ থেকে হার্ট অ্যাটাক হয়। হার্ট অ্যাটাক হলে হার্টের কোনো একটি রক্তনালীতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রক্তনালীর গায়ে চর্বি জমার জন্য হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে যায়। সরু রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। রক্তনালীতে চর্বি জমা অথবা রক্ত জমাট বাঁধার জন্য খাদ্যের কিছু কিছু উপাদানকে দায়ী করা হচ্ছে। এর মাঝে খাদ্যের চর্বি বিশেষ করে সম্পৃক্ত চবির্র রক্তে কোলেস্টেরলের প্রভাব এবং ফলে হৃদরোগ হওয়া সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। এছাড়া খাদ্যের আরও 

চর্বি কমাতে পারে এমন ১৩টি খাবার এর তালীকা



এই বৈশাখে বাছাই করা কিছু খাবার খেয়ে শরীরের চর্বি কমানো সম্ভব। এই সব খাবারের প্রতিটিই কোন না কোন ভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রচুর পানি আছে এমন শাক-সবজি, ফল ও স্যুপে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। নিয়মিত এই সব খাবার খেয়ে শরীরের কিছু অতিরিক্ত মেদও ঝড়িয়ে নেওয়া যায়। বৈশাখের প্রচণ্ড দাবদাহে এরা দেহের ভারসাম্য রাখতেও সহায়ক হতে পারে। 

কম ঘুমে ওজন বাড়ে শক্তি হ্রাস পায়



ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে দিনটা যেমন ঝরঝরে হয় না কাটে নেশাচ্ছন্নভাবেতেমনই হজমেও সমস্যা হয়। শরীরে অবসাদ ভর করেশক্তিও কমে যায়। আর এসবই বলছেএকটি ইউরোপীয় স্বাস্থ্য সমীক্ষা। খবর ডয়চে ভেলের।
অ্যামেরিকান জার্নাল ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত ঐ সমীক্ষার ফলাফলে প্রমাণ উল্লেখ করে দেখানো হয়েছেকম ঘুম ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। কম ঘুম শুধু যে ক্ষুধা বাড়ায় তাই নয়,

কালিজিরার গুণ



ভীষণ উপকারী জিনিস কালিজিরা। এটাকে খাবার না বলে পথ্য বলাই ভালো। এখন প্রচণ্ড গরম। এই মৌসুমে গরম ও ঠান্ডাজনিত কারণে অনেকের জ্বর হচ্ছে। জ্বরকফগায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। যাঁরা মোটা হতে চানতাঁদের জন্য কালিজিরা যথাযোগ্য পথ্য।