কথায় আছে_'চৎবাবহঃরড়হ রং নবঃঃবৎ ঃযধহ পঁৎব' অর্থাৎ রোগ হওয়ার আগেই রোগ প্রতিরোধ করা উচিত, তাই আমাদের খাবার-দাবার, বাসস্থানের পরিবেশ, জীবনযাত্রা_ সব কিছুই স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া উচিত। আমরা কম-বেশি সবাই এসব স্বাস্থ্যসম্মত বিষয় সম্পর্কে জানি। কিন্তু মানি কতজন? অসুখ হওয়ার আগেই অসুখকে প্রতিহত করা যেমন উচিত তেমনি দৈনন্দিন জীবনে অসুখ-বিসুখকে ভেষজ দিয়ে হাতের কাছে থাকা খাদ্যসামগ্রী দিয়ে, অতি সহজে সমাধান করতে পারি। পেঁপে এমনি একটি ঔষধিগুণসম্পন্ন খাদ্য। যা প্রায় প্রতিদিন আমাদের রান্না ঘরে থাকে, পেঁপে গাছও খুব সহজলভ্য।
Tuesday, July 19, 2011
Monday, July 11, 2011
শিশুদের জন্য পরামর্শ
পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের শরীরচর্চা করাতে বাবা-মায়েদের পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, দিনে অন্তত তিন ঘণ্টা পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের হাঁটাচলা করানো অথবা শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখা উচিত। ভবিষ্যতের কথা ভেবে শিশুদের পেরামবুলেটর অথবা গাড়ির আসনে বসিয়ে রাখার সময় কমিয়ে আনতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, দিনে অন্তত তিন ঘণ্টা পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের হাঁটাচলা করানো অথবা শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখা উচিত। ভবিষ্যতের কথা ভেবে শিশুদের পেরামবুলেটর অথবা গাড়ির আসনে বসিয়ে রাখার সময় কমিয়ে আনতে হবে।
Thursday, July 7, 2011
জ্বরে রোগী কী খাবে
ফাতেমা সুলতানা
জ্বরে কোন রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। অর্থাৎ প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে জ্বরকে অভিহিত করা হয়। শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক তাপমাত্রার (৯৮হ্ন ৪হ্ন ফা বা ৩৭হ্ন সে) চেয়ে বেশি তাপ হলে তাকে জ্বর বা ফিভার বলে। অনেক সময় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকেও জ্বর হতে পারে।
জ্বর অল্প ও দীর্ঘ সময়ের জন্য হতে পারে। অল্প সময়ের জ্বর সর্দি, টনসিল, ফ্লু, ব্যথা, প্রদাহ, হাম, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড অথবা হাড় ভেঙে গেলেও হতে পারে। সেক্ষেত্রে জ্বর কতক্ষণ থাকছে বা কয়বার ওঠানামা করছে বা জ্বরের অন্য কোন উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কি না, তা লক্ষ্য রাখতে হবে।
জ্বরে কোন রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। অর্থাৎ প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে জ্বরকে অভিহিত করা হয়। শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক তাপমাত্রার (৯৮হ্ন ৪হ্ন ফা বা ৩৭হ্ন সে) চেয়ে বেশি তাপ হলে তাকে জ্বর বা ফিভার বলে। অনেক সময় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকেও জ্বর হতে পারে।
জ্বর অল্প ও দীর্ঘ সময়ের জন্য হতে পারে। অল্প সময়ের জ্বর সর্দি, টনসিল, ফ্লু, ব্যথা, প্রদাহ, হাম, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড অথবা হাড় ভেঙে গেলেও হতে পারে। সেক্ষেত্রে জ্বর কতক্ষণ থাকছে বা কয়বার ওঠানামা করছে বা জ্বরের অন্য কোন উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কি না, তা লক্ষ্য রাখতে হবে।
অ্যালার্জি প্রতিরোধের প্রাকৃতিক উপায়
এ্যালার্জি শব্দটা যদিও আজ আর কারও কাছে নতুন কিছু নয়, তবুও এটা সম্পর্কে সার্বিক ধারণা থাকা সবার জন্য অতীব জরুরী। কেননা শ্বাসকষ্ট, একজিমাসহ বহু চর্মরোগের জন্য দায়ী এই এ্যালার্জি।
ধুলাবালি, ফুলের রেণু, নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও ওষুধ মানুষের শরীরে প্রদাহজনিত যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে সাধারণভাবে তাকেই আমরা এ্যালার্জি বলে জানি। এ্যালার্জি শব্দটা অষষড়ং ও ঊৎমড়ং নামক দুটি গ্রিক শব্দের সমন্বয়ে তৈরি, সম্মিলিতভাবে যার অর্থ দাঁড়ায় পরিবর্তিত প্রতিক্রিয়া।
যা অ্যালার্জি তৈরি করে
মাইট (এমন কিছু যা পুরনো কাপড়ে জন্মায়), সিগারেটের ধোঁয়া হ কুকুর, বিড়ালের পশম, প্রস্রাব ও লালা হভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, ফুলের রেণু। এছাড়া বিশেষ কোন খাবার, ঘরের ধুলাবালি, হরমোন ইনজেকশন, তুলা বা পাটের আঁশ, চুলের কলপ, রং, পোকা মাকড়ের হুল, স্যাঁতসেঁতে কার্পেট ইত্যাদি। তবে মনে রাখবেন এ সবে সকলেরই যে এ্যালার্জি হবে তা কিন্তু নয়। কিছু কিছু জিনিসে কারও কারও অ্যালার্জি হতে পারে।
হাঁপানি
ডা. তাবাসসুম রুমায়লা
হাঁপানি হয় অ্যালার্জি থেকে। এটি শ্বাসনালির একটি সমস্যা। আমাদের শ্বাসনালি যখন কোনো কিছুকে সহ্য করতে পারে না; কিন্তু শ্বাসনালিতে সেই জিনিসের সংস্পর্শ ক্রমাগতই ঘটছে, তখন শ্বাসনালিতে প্রদাহ দেখা দেয়, ফুলে যায়, ফলশ্রুতিতে দেখা দেয় হাঁপানি। হাঁপানির কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ নেই; কিন্তু যাদের হাঁপানির প্রবণতা আছে তাদের ধুলোবালি, ধোঁয়ার সংস্পর্শে এলে হাঁচি, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে। শিশুদের জন্য হাঁপানি একটি বড় সমস্যা। এদের ক্ষেত্রে বিশেষ যতœ নিতে হবে।
হাঁপানি হয় অ্যালার্জি থেকে। এটি শ্বাসনালির একটি সমস্যা। আমাদের শ্বাসনালি যখন কোনো কিছুকে সহ্য করতে পারে না; কিন্তু শ্বাসনালিতে সেই জিনিসের সংস্পর্শ ক্রমাগতই ঘটছে, তখন শ্বাসনালিতে প্রদাহ দেখা দেয়, ফুলে যায়, ফলশ্রুতিতে দেখা দেয় হাঁপানি। হাঁপানির কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ নেই; কিন্তু যাদের হাঁপানির প্রবণতা আছে তাদের ধুলোবালি, ধোঁয়ার সংস্পর্শে এলে হাঁচি, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে। শিশুদের জন্য হাঁপানি একটি বড় সমস্যা। এদের ক্ষেত্রে বিশেষ যতœ নিতে হবে।
প্রশান্তিদায়ক পাঁচ পানীয়
ক্লান্তিকর দিন, ব্যস্ততা? ভারী কোনো খাবার খাওয়ার সময় নেই? এজন্য আছে এমন সব পানীয় যা আপনাকে করে তুলতে পারে প্রশান্ত, দূর করতে পারে কর্মক্লান্তি। নিচের পানীয়গুলো পান করে দেখুন তো: এক গ্লাস দুধ : এতে আছে ট্রাইপটোফ্যান যা বিপাক ক্রিয়ায় খাদ্য শোষণ করে আপনার মেজাজ ভালো করায় সাহায্যকারী সেরোটোনিন উৎপাদনে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে দুধের মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
অ্যাসিডিটি কমানোর পদ্ধতি
■ এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানির মধ্যে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো আর অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে নিয়মিত খান। এতে অ্যাসিডিটি দূর হয়ে যাবে।
■ প্রতিদিন সালাদের মধ্যে মুলা খান। মুলার ওপর বিট নুন বা গোলমরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে খান।
■ জায়ফলের সঙ্গে সৌঠচূর্ণ মিশিয়ে খান। এতে অ্যাসিডিটি দূর হয়ে যাবে।
■ প্রতিদিন সালাদের মধ্যে মুলা খান। মুলার ওপর বিট নুন বা গোলমরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে খান।
■ জায়ফলের সঙ্গে সৌঠচূর্ণ মিশিয়ে খান। এতে অ্যাসিডিটি দূর হয়ে যাবে।
Subscribe to:
Comments (Atom)
