গর্ভাশয়ের
ভ্রুনটি ডিম্বানু নিষেকের পর থেকে পরবর্তী পাঁচ মাসের (২০ সপ্তাহ) মধ্যে
যে কোন সময়ে প্রসবের রাস্তা দিয়ে বের হয়ে যাবার নামই গর্ভপাত বা
Abortion। বর্তমান বিশ্বে অধিকাংশ গর্ভপাতই হয় ইচ্ছাকৃত ভাবে ভ্রুন নষ্ট
করার কারনে। পাঁচ মাস (২০ সপ্তাহ) বয়সের পর শিশুর সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গঠনই
শেষ হয়ে যায়, তাই এসময়ে ইচ্ছাকৃত গর্ভপাত ঘটানোকে শিশু হত্যা বলাই
শ্রেয়তর।
স্বাস্থ্যকথন
Friday, May 1, 2015
গর্ভকালীন স্বাস্থ্য পরিচর্যা
গর্ভধারনের চিহ্ন সম্পর্কিত কিছু কথা
আমি
কি
গর্ভবতী?
অনেক নারি আছেন যারা প্রিয়ডের সময় পার হবার আগে বুঝতে পারেন না যে তিনি গর্ভধারন করেছেন। প্রিয়ড মিস হওয়াই গর্ভধারনের একমাত্র চিহ্ন নয়। আরও কিছু ব্যাপার প্রিয়ড মিস হওয়ার আগেও বোঝা যেতে পারে। এগুলো হল:
গর্ভকালীন প্রথম তিন মাস
কখন আপনি গর্ভধারনের জন্য সবচেয়ে বেশি তৈরি?
সাধারনত
আপনার পরবর্তী প্রিয়ডের ১৪ দিন আগে আপনার গর্ভধারনের সম্ভাবনা সবচেয়ে
বেশি। এই দিনে শরিরের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে ডিম্বপাতের কারনে।
প্রতিদিন সকালে বিছানা থেকে উঠার আগে আপনি থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা
দেখেও বুঝতে পারেন আপনার গর্ভধারনের সম্ভাবনা কেমন।
গর্ভকালীন স্বাস্থ্য
গর্ভধারণ একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ব্যাপার। স্বাভাবিক হলেও এ সময়
শরীরে কিছু পরিবর্তন ঘটে। সে জন্য গর্ভকালীন সময়ে কিছু সাধারণ
স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দেয়। এগুলো তেমন উদ্বেগের বিষয় নয়, সহজেই এসবের
সমাধান সম্ভব। তবে অনেক সময় বা অনেকের ক্ষেত্রে এসব সাধারণ সমস্যাও বেশ
কষ্ট দেয়। গর্ভকালীন কয়েকটি সাধারণ স্বাস্থ্যসমস্যা সম্পর্কে আলোকপাত করা
হলো:
সন্তানের জন্মসপ্তাহ
নানা
কারণে নির্ধারিত সময়ের খানিক আগেই অস্ত্রোপচার বা প্রসবব্যথা ত্বরান্বিত
করার ওষুধের মাধ্যমে সন্তানের জন্ম দেওয়া হয়। এত দিন ধারণা ছিল যে মায়ের
গর্ভে ৩৪ বা ৩৬ সপ্তাহ থাকার পর সন্তানের জন্ম স্বাভাবিক প্রসব হওয়ার
মতোই নিরাপদ। কিন্তু মার্কিন বিজ্ঞানীরা কয়েক বছর দুই উপায়ে জন্ম
নেওয়া নবজাতকদের ওপর গবেষণা চালিয়ে বলছেন ভিন্ন কথা।
গর্ভাবস্থায় করণীয়
মায়ের জন্য অবশ্যই করণীয়
একজন মহিলা যখন প্রখম বারের জন্য গর্ভধারন করেন তার কাছে অনেক কিছুই অজানা থাকে, এই সামান্য কিছু অজানা তথ্যের জন্য অনেক ধরনের কুসংস্কার মায়ের উপর চাপিয়ে দেয় অনেকেই। এজন্য গর্ভধারনের পরপরই একজন স্ত্রীরোগ চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হওয়া উচিত। এতে যে শুধু মা সুস্থ্য থাকবে তা নয়, গর্ভের শিশুটির নিরাপত্তাও এর সাথে জড়িত। সাধারনভাবে এ সময়টাকে মা’কে অল্প কিছু নির্দেশ মেনে চলতে হয়, নিচে তেমন কিছু নির্দেশ লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করা হলো।
একজন মহিলা যখন প্রখম বারের জন্য গর্ভধারন করেন তার কাছে অনেক কিছুই অজানা থাকে, এই সামান্য কিছু অজানা তথ্যের জন্য অনেক ধরনের কুসংস্কার মায়ের উপর চাপিয়ে দেয় অনেকেই। এজন্য গর্ভধারনের পরপরই একজন স্ত্রীরোগ চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হওয়া উচিত। এতে যে শুধু মা সুস্থ্য থাকবে তা নয়, গর্ভের শিশুটির নিরাপত্তাও এর সাথে জড়িত। সাধারনভাবে এ সময়টাকে মা’কে অল্প কিছু নির্দেশ মেনে চলতে হয়, নিচে তেমন কিছু নির্দেশ লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করা হলো।
Subscribe to:
Comments (Atom)